জামালপুরের মাটির ছেলে আরমান ফয়সাল আকাশ — যার নাম এখন দেশের গ্যালারিতে গর্জে ওঠে।
তিনি শুধু একজন স্ট্রাইকার নন, তিনি সেই তরুণ যিনি ম’রে যাওয়া জামালপুরের ফুটবলে ফের এনেছেন নতুন প্রাণ।
দক্ষিণ এশিয়ার সেরা স্ট্রাইকার তকমা পাওয়া কিংবদন্তি আমিন রানা ভাইয়ের উত্তরসরি হয়ে, আজ তিনি নিজের নামে নতুন ইতিহাস লিখছেন।
প্রায় ৬ ফুট উচ্চতা, চোখে অবিচল স্বপ্ন —”একদিন জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেশের হয়ে খেলবো।
আজ সেই স্বপ্ন সত্যি। আজ আকাশ দাঁড়িয়ে মাঠে, বুকের ডান পাশে লাল-সবুজের পতাকা। কিন্তু এই মুহূর্তের পেছনে আছে। বছরের পর বছর কষ্ট, অবহেলা, অস্বীকৃতি আর অসম্ভব ধৈর্য। বিকেএসপি থেকে শুরু হয়েছিল আকাশের ফুটবল জীবন। কেউ চিনতো না, কেউ ডাকতো না — কিন্তু তিনি থামেননি।
তৃতীয় বিভাগ থেকে ধাপে ধাপে উঠে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কর্মরত, নৌবাহিনী ফুটবল দলের নিয়মিত মুখ। FC Uttara FC Forti এখন আবাহনী লিমিটেড ঢাকা।
অবশেষে — বাংলাদেশ জাতীয় দল। এই পথ কোনো ফেয়ারি টেল নয় —এটা ছিল ভোরের ঠান্ডা মাঠে ঘামে ভিজে ওঠা জার্সি, ব্যথায় ফেটে যাওয়া পা, আর কান্না গিলে ফেলা রাতের গল্প। আকাশ প্রমাণ করেছে — সফলতা কেবল তাদের জন্য, যারা হাল ছাড়ে না। যারা হার মানতে মানতে শেষ পর্যন্ত জিতে যায়।
তাকে দেখে শত শত তরুণ নতুন স্বপ্ন দেখে “আকাশ পারলে, আমরাও পারবো। চলতি প্রিমিয়ার লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে আকাশ এখন AFC U-23 জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন।