• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
Headline
সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী জামালপুর পৌরসভা নির্বাচনে আহসানুজ্জামান রুমেল মেয়র প্রার্থী জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করতে বাধ্য হয়েছে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের কোনো সম্ভাবনা নেই : শিক্ষামন্ত্রী এসএসসি পরীক্ষায় দেওয়ানগঞ্জে অনুপস্থিত ৭২ জন জামালপুরে মহিলা জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ‎ময়মনসিংহে শিক্ষার্থী হত্যায় ৭ জনের ফাঁসি জ্বালানি সংকটে বাড়ছে লোডশেডিং, বন্ধ প্রায় অর্ধশত বিদ্যুৎকেন্দ্র জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিতে সৌদির তাগিদ

জামালপুর পৌরসভা নির্বাচনে আহসানুজ্জামান রুমেল মেয়র প্রার্থী

স্টাফ রিপোর্টার / ১২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

জামালপুরে মামুন এমপির আস্থা ভাজন

আসন্ন জামালপুর পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে জামালপুর শহরে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে জামালপুর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল প্রার্থী হয়েছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা লক্ষ্য করা গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তিনি ইতোমধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গেও তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। পাশাপাশি জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডঃ শাহ মো: ওয়ারেছ আলী মামুন এমপির আস্থা ভাজন ব্যক্তি হিসেবে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। সরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মামুন এমপির অনুপস্থিতিতে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।

জানা যায়, স্কুল জীবনে থেকেই ছাত্ররাজনীতিতে জড়িয়ে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল। ১৯৮৭ সালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজে ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভুমিকা রাখায় ১৯৮৮ সালের আন্দোলনে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। ১৯৯২ সালে জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক এবং ১৯৯৮ সালে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন। জেল খাটতে হয়েছে মাসের পর মাস। মামলা-হামলা উপেক্ষা করে তিনি সবসময় মাঠের কর্মীদের পাশে ঢাল হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন।

জানা গেছে,১৮৬৯ সালে স্থাপিত হয় জামালপুর পৌরসভা। ভোটারদের জন্য রয়েছে ৪১ টি ভোট কেন্দ্র। এই পৌরসভার ১২ টি ওয়ার্ডের বিএনপির নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা, দলকে শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তিনি ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছেন। অনেকেই মনে করছেন, পৌর এলাকায় বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে অনেকেই জানান, রাজনীতির পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, সামাজিক কার্যক্রম ও মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে খন্দকার আহসানুজ্জামান ইতোমধ্যে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরাও মনে করেন, সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করে বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হবেন। তাদের ভাষ্য, মাঠ পর্যায়ে তার জনপ্রিয়তা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রেখেছে।

অনেকেই তাকে আগামী দিনে জামালপুর পৌরসভার উন্নয়নে কার্যকর নেতৃত্ব দিতে সক্ষম বলে মত প্রকাশ করছেন। এদিকে নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিবছর শতশত দরিদ্র পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী উপহার, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্টানে সহায়তা, বৃক্ষরোপণ ও বিতরণসহ নানারকম সেবামূলক কাজ করে আসছে মেয়র প্রার্থী খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল।

পৌর এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তার একটা নিজস্ব ব্যক্তি ইমেজ তৈরী হয়েছে। আগামী পৌর নির্বাচনে তাঁর বিজয়ের অত্যন্ত উজ্জল সম্ভবনা রয়েছে। পৌরবাসীর অভিমত এসব বিবেচনায় খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল প্রার্থী হলে তারই বিজয়ী হবার উজ্জল সম্ভবনা রয়েছে। তাকে একজন শক্ত ও জনপ্রিয় প্রার্থী বলে বিবেচনা করছে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। পৌরবাসীর কাছে ক্লিনম্যান হিসেবে দলমত নির্বিশেষে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে।

পৌরবাসীর দোয়া ও সমর্থন চেয়ে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল জানান, এখন বিএনপির গণতান্ত্রিক সরকার। আমার আশা ও বিশ্বাস আমিই মনোনয়ন পাবো, ইনশাআল্লাহ। এছাড়াও আমি সবসময় জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও সে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এদিকে, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক সমীকরণ যাই হোক না কেন, স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন অন্যতম আলোচিত নাম হয়ে উঠেছেন খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল।

জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও এমপি এডভোকেট শাহ মোহাম্মদ ওয়ারেছ আলী মামুনের প্রিয় আস্তাভাজন রুমেল। পৌর মেয়র পদে নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর ওয়ারেস আলী মামুন এমপির পূর্ণ আস্তা ও সমর্থন পাওয়া। ইতোমধ্যে নির্বাচনের মাঠে তার নাম প্রকাশিত হয়েছে। এমপি এডভোকেট শাহ মোহাম্মদ ওয়ারেছ আলীর ঘনিষ্ঠ সহচর আসাদুজ্জামান রুমেল। মামুন এমপির অনুপস্থিতিতে তিনিই তার সকল কাজে প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন জামালপুরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে এমপির আস্থা ভাজন খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল।

পৌরবাসীর দোয়া ও সমর্থন চেয়ে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল জানান, এখন বিএনপির গণতান্ত্রিক সরকার। আমার আশা ও বিশ্বাস আমিই মনোনয়ন পাবো, ইনশাআল্লাহ।

এছাড়াও আমি সবসময় জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও সে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এদিকে, আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক সমীকরণ যাই হোক না কেন, স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন অন্যতম আলোচিত নাম হয়ে উঠেছেন খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল। কথায় না তিনি কাজে প্রমাণ দিতে চান পৌর নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে। ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে জামালপুর পৌর নির্বাচনে জেলা বিএনপির সমর্থন পেলে খন্দকার আসাদুজ্জামান রুমেল অনেক আশাবাদী বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category