৯০ দিনের নির্ধারিত সময়সীমা সামনে রেখে গতি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটি। দায়িত্ব পাওয়ার পর কয়েকটি সভা পেরিয়ে এবার তারা সরাসরি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করেছে। নির্বাচন কমিশন গঠনের অনুমোদন এবং কাউন্সিলর মনোনয়নের প্রস্তুতি জানিয়ে দিচ্ছে, বোর্ড এখন আর পরিকল্পনার পর্যায়ে নেই- বরং বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।
সেই ধারাবাহিকতায় তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বোর্ড তাদের তৃতীয় সভায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার কেন্দ্রে রয়েছে আসন্ন বিসিবি নির্বাচনের প্রস্তুতি। আজ সোমবার মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সভায় নির্বাচন কমিশন গঠনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তিন সদস্যের এই কমিশনে থাকবেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় অথবা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের একজন প্রতিনিধি এবং বিসিবি মনোনীত আরও দুজন সদস্য। তবে এখনো পর্যন্ত কমিশনের সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
নির্বাচন প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে শিগগিরই কাউন্সিলর মনোনয়নের আহ্বান জানানো হবে বলেও জানিয়েছে বোর্ড। বিসিবির গঠনতন্ত্রের ১২.৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সব ক্যাটাগরি থেকে কাউন্সিলর মনোনয়নের জন্য আনুষ্ঠানিক নোটিশ জারি করা হবে, যা নির্বাচনের প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এর আগে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, যার প্রধান দায়িত্ব ছিল ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজন করা। সেই লক্ষ্য পূরণে বর্তমান বোর্ড ধাপে ধাপে এগোচ্ছে বলে ইঙ্গিত মিলেছে আজকের এই সভা থেকে।
এদিনের বৈঠকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আঞ্চলিক ক্রিকেট কাঠামো নিয়ে। চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল অঞ্চলের জন্য পূর্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিগুলো বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড।
একইসঙ্গে বাণিজ্যিক দিক থেকেও একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। দুই বছরের জন্য কোকা-কোলা বাংলাদেশকে বিসিবির অফিসিয়াল ড্রিংকিং ওয়াটার ও বেভারেজ পার্টনার হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।