বান্দরবান ৬ মে বুধবার পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়ন বাড়াতে বান্দরবান পুলিশ লাইন্স এবং পুলিশ লাইন্স স্কুল এরিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমান নারকেল গাছ রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এদিন প্রায় ১০০টি নারকেল গাছ রোপণ করা হয়।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে সামাজিক বনায়নের অংশ হিসেবে প্রায় ৩ হাজার ফলজ, বনজ ও শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। কর্মসূচিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার,ফরহাদ সরদার, আরআই, পুলিশ সদস্য এবং পুলিশ লাইন্স স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
খবরটা পড়ে মনটা সবুজ হয়ে গেল। পুলিশ মানে শুধু লাঠি-মামলা না, পুলিশ মানে গাছ লাগানো হাতও—এই বার্তাটাই সবচেয়ে দামি। এসপি আবদুর রহমান স্যার যখন পুলিশ লাইন্সে নারকেলের চারা পুঁতলেন, তখন উনি শুধু গাছ লাগাননি—আগামী ৩০ বছরের ছায়া লাগিয়েছেন, পাখির বাসা লাগিয়েছেন, স্কুলের বাচ্চাটার জন্য ডাবের পানি লাগিয়েছেন।
বান্দরবান পাহাড়ি জেলা। এখানে একেকটা গাছ মানে একেকটা পাহাড় ধস ঠেকানো, একেকটা ঝিরি বাঁচানো। ১০০টা নারকেল আজ লাগল, ৩০০০ গাছের টার্গেট নিয়েছে পুলিশ—ভাবতেই ভালো লাগে।
আমার মনে পড়ে, ছোটবেলায় স্কুলে গাছ লাগিয়ে নাম লিখতাম। সেই গাছটা বড় হলে বুকের ভেতর একটা গর্ব হতো—“এটা আমার গাছ”। আজ পুলিশ লাইন্স স্কুলের বাচ্চারা যখন স্যারদের সাথে মাটিতে হাত দিল, ওদের ভেতরেও সেই বীজটা পড়ে গেল। ওরা শিখল, ইউনিফর্ম পরা মানুষটা শুধু ধরে না, গড়েও তোলে।
জলবায়ু পরিবর্তন এখন গল্প না বস, বান্দরবানের খাল শুকিয়ে যাওয়া, পাহাড়ি ঢলে ঘর ভাসা—সব চোখের সামনে। এই ৩০০০ গাছ আগামী দিনে অক্সিজেন দেবে, কার্বন টানবে, তাপমাত্রা কমাবে। এটা হলো আসল ‘ল অ্যান্ড অর্ডার’—প্রকৃতির সাথে সমঝোতা।