• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন

ভারতের ভূখণ্ডে ঢুকেছে চীনা সেনাবাহিনী

দ্য ডেইলি ফ্রন্ট নিউজ ডেস্ক / ৪৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে স্থায়ী সামরিক অবকাঠামো গড়ে তুলেছে এবং স্থানীয়দের চারণভূমি ও কৃষিজমি দখল করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপার সুবনসিরি জেলার সীমান্তবর্তী নাহ আদিবাসীদের সংগঠন ‘নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ এ অভিযোগ তুলেছে।

সংগঠনের সভাপতি কেরু চাদের জেলা প্রশাসনের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে দাবি করেন, ভারতীয় ভূখণ্ডের ভেতরে প্রবেশ করে চীনা বাহিনী স্থায়ী ঘাঁটি, সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করেছে। এর ফলে গত ছয় বছর ধরে স্থানীয়রা কৃষিকাজ, পশুচারণ এবং বনজ সম্পদ সংগ্রহ করতে পারছেন না।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) সংলগ্ন তাকসিং রাজস্ব সার্কেলের আওতাধীন অন্তত পাঁচটি এলাকায় চীনা বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে। এসব অঞ্চলের মধ্যে আসফিলা, মারপান, পোত্রাং ও টিনডিংতাংয়ের মতো এলাকাও রয়েছে, যেগুলোর কয়েকটি স্থানীয়দের কাছে পবিত্র স্থান হিসেবে পরিচিত।

কেরু চাদের দাবি করেন, প্রায় ১২ বছর ধরেই চীনা সেনারা মাঝে মাঝে ওই এলাকায় প্রবেশ করলেও ২০২০ সাল থেকে তারা স্থায়ীভাবে অবস্থান নেওয়া শুরু করে এবং স্থানীয়দের প্রবেশে বাধা দেয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় বিধায়ক নাকাপ নালো বলেন, বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। তাই অভিযোগগুলো যথাযথভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশে চীনা বাহিনীর অনুপ্রবেশ ও স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপনের অভিযোগ ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’। জেলা প্রশাসন বা অরুণাচল প্রদেশ সরকারও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।

এদিকে, লাদাখ সীমান্ত নিয়েও অতীতে ভারত ও চীনের মধ্যে অনুরূপ অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের ঘটনা ঘটেছে। তবে ভারত সরকার বরাবরই দাবি করে আসছে, দেশটির কোনো ভূখণ্ড চীনের দখলে যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category