১২ জুলাই শনিবার রাজউকের মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কর্তৃক ৩০ ফুট প্রশস্ত আলিফনগর থেকে আফতাবনগর পর্যন্ত নির্মিত রাস্তার চলাচল সাধারণ মানুষের জন্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায়, আলিফনগর সোসাইটির পক্ষ থেকে একটি বৃহত্তর মানববন্ধনের আয়োজন করা হয় ১১ জুলাই শনিবার। উক্ত মানববন্ধনে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে আলিফনগর সোসাইটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বাসিন্দারা বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, আফতাবনগর–আলিফনগর সংযোগ সড়কটি বন্ধ করা হলে হাজারো মানুষের দৈনন্দিন চলাচল, জরুরি সেবা গ্রহণ এবং বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত ব্যাহত হবে। বক্তারা আরও বলেন, সরকার সড়ক উন্নয়ন ও জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। তাই জনস্বার্থে সংযোগ সড়কটি উন্মুক্ত রাখতে এবং বিষয়টি দ্রুত সমাধানে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃত্ব, স্থানীয় সংসদ সদস্য, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি), রাজউক, জেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাস্তবতা যাচাই এবং দ্রুত একটি ন্যায়সংগত ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।গ যুগ ধরে ব্যবহৃত আফতাবনগর থেকে আলিফনগর সরকারি রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাড্ডার সর্বস্তরের জনগণ।
আফতাবনগর মূল গেটের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানবন্ধনে আফতাবনগর, আলিফনগর, আনন্দনগর, ডিআইটি ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার নারী-পুরুষ অংশ নেন। মানবন্ধনে বক্তারা আভিযোগ করেন, সরকারের ঢাকা সিটি ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান – DAP এ এই রাস্তা চালু থাকার নকশা রয়েছে। তারপরেও আফতাবনগর সোসাইটি গায়ের জোরে রাস্তায় দেয়াল ও গেট নির্মাণ করে জনসাধারণের চলাচল বন্ধ করে দিচ্ছে।
মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করে DIT, ৩৭ ও ৩৮ নং ওয়ার্ডের স্থানীয় জননেতারা বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, “১৯৮২ সালের চলাচলের রাস্তার আইন অনুযায়ী কেউ কারো রাস্তা বন্ধ করে দিতে পারে না। এটি জনগণের অধিকার পরিপন্থী।
বক্তারা অবিলম্বে রাস্তা থেকে অবৈধ দেয়াল ও গেট সরিয়ে জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক করার দাবি জানান। অন্যথায় আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তারা।উল্লেখ্য, আফতাবনগর ও আলিফনগর উভয় এলাকাই বাড্ডা থানার অন্তর্ভুক্ত। প্রায় ৪ যুগ ধরে এই রাস্তা দিয়ে দুই এলাকার হাজারো মানুষ স্কুল-কলেজ, অফিস ও বাজারে যাতায়াত করে আসছেন।
এ বিষয়ে, আফতাবনগর সোসাইটি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।