বাংলাদেশের জাতীয়বাদী রাজনীতির প্রবক্তা মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর আদর্শ বুকে ধারন করে সুদীর্ঘ তিন যুগ (৩৬ বছর) ধরে বিএনপির প্রায়ত চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি নিবেদিত প্রাণ বিএনপির একনিষ্ঠ নির্ভিক সাহসী কর্মী মোঃ আরশাফুজ্জামান খান বড় লিটন। জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার দুরমুট ইউনিয়ন থেকে উঠে আসা তৃনমুল পর্যায় থেকে এখন ঢাকা মহানগর বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত হয়ে আগামী দক্ষিণ ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে নির্বাচনের জন্য আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এখন বিএনপির হাইকমান্ডের গ্রীন সিগনালের অপেক্ষায় আছেন মোঃ আরশাফুজ্জামান খান বড় লিটন।
১৯৮৬ সালে ইসলামপুর ডিগ্রি কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মনোনীত বুলবুল- লিটন পরিষদে জি এস পদে নির্বাচন করে আলোচনায় আসে বড় লিটন। পরাজয়ের আশংকায় যাহা স্বৈরাচার এরশাদের সংগঠন ছাত্র সমাজ বোমা মেরে ব্যালট ছিনতাই করে নির্বাচন ভন্ডুল করে দেয়। ৮৭ সালে ইসলামপুর ডিগ্রি কলেজ কমিটির ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও উপজেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করে এরশাদ বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহসী ভুমিকা পালন করে বড় লিটন।
পরবর্তীতে ১৯৯৫ থেকে ৯৮ সালে ইসলামপুর উপজেলার ছাত্রদলের আহ্বায়ক ও ৯৮ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করে লিটন। সে সময় তুখোড় ছাত্রনেতা হিসেবে জামালপুর জেলায় আলোচনায় আসে লিটন।
১৯৮৬ সাল থেকে ইসলামপুর উপজেলায় ছাত্রদলের রাজনীতির মধ্যে দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু। এই সময় থেকেই তার বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে রাজনৈতিক মামলা দেয়া হয়।
পৈতিক সুত্রে পাওয়া তার বিএনপি। তার পিতা আহমদ আলী খান লোটন ছিলেন বিএনপির মেলান্দহ উপজেলা শাখার আহবায়ক এবং দুরমুট ইউনিয়নের বার বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান।
১৯৮৭ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের শুরুতেই ইসলামপুর থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়কের দায়িত্ব পালন করে সাহসী ও বলিষ্ঠ ভুমিকা পালন করে দলের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন লিটন।
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ঐতিহাসিক ভূমিকার জন্য ছাত্রদলে জনপ্রিয় হয়ে উঠে সে। দীর্ঘ সময় ইসলামপুর উপজেলা ছাএ দলের আহবায়ক ও সভাপতি থেকে দলকে ঐক্য বদ্ধ করে দলের সকল পর্যায়েই কর্মকান্ড পরিচালনা একনিষ্ঠতার সাথে কাজ করার জন্য ছাত্র দলের আইকন নামে প্ররিচিতি লাভ করেন।
এরশাদ সরকারের আমলে জেল জুলুম হুলিয়া মাথায় নিয়ে কারাগারে যেতে হয়েছে তাকে। বিএনপি ক্ষমতা থাকাকালীন সময়ে ক্লিনহার্ড অপারেশনে আটক হয়ে দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকতে হয়েছে তাকে। কারাগার থেকে বের হয়ে আবারও শহীদ জিয়ার আদর্শিক রাজনৈতিক সকল পর্যায়েই কর্মকান্ড পরিচালনা করেছেন।
২০০১ সালে জামালপুর -২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সুলতান মাহমুদ বাবুর পক্ষে সারা ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির তথা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে কাজ করে সুখ্যাতি সুনাম অর্জন করেন লিটন। নৌকার প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ রাশেদ মোশাররফ কে বিশাল ভোটের মাধ্যমে পরাজিত করে মোঃ সুলতান মাহমুদ বাবুকে বিজয় অর্জন করাতে তার ভুমিকা ছিল অগ্রগণ্য ।
২০০১ সালে বিএনপির ইসলামপুর উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ মানুষের কাছে অনেক সুনাম অর্জন করেছিলেন।
জামালপুরের ইসলামপুরে বিএনপির রাজনীতি থেকে সরে এসে ঢাকার মহানগর বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত হয়ে কাজ শুরু করেন লিটন। ঢাকার সবুজবাগ এবং সিটি করপোরেশনের ৫নং ওয়ার্ডে নিজের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত করে আগামী নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে নিজের ইতোমধ্যে প্রার্থীতা ঘোষণা দেন। দলের গ্রীন সিগনাল পেলে পুরোদমে মাঠ চষে বাড়াবেন।
লিটন বর্তমানে দক্ষিন ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এবং সবুজবাগ থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
গত ১৭ বছর ঢাকার বুকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরোদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে মিছিল মিটিংএ অগ্রনী ভুমিকা পালন করে ঢাকার সবুজবাগ থানা এলাকায় নিজের কৃতিত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছেন লিটন।
বর্তমানে ঢাকার সবুজবাগ থানার দক্ষিণ ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৫নং ওয়ার্ডের প্রতিটি ঘরে ঘরে পোঁছে যাচ্ছেন, সন্ত্রাস চাঁদাবাজ মুক্ত ক্লিন ঢাকা গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে ভোটার ও সর্বসাধারণের জন্য নিবেদিত একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন লিটন। প্রত্যাশা শুধু সময়ের অপেক্ষায়?